ঢাকা শুক্রবার , ২৭ ফেব্রুয়ারী , ২০২৬ ,  ৫ আষাঢ় ১৪২৯

জনগণকে সেবা দেওয়া আমাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী

লাইভ টেলিভিশন২৪ প্রকাশিত: ২৩ আগস্ট , ২০২২ , ১৮:৩৬ পিএম

শেয়ার করুনঃ
News Thumbnail

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণের সেবা দেওয়া সবার সাংবিধানিক কর্তব্য। তাই জনগণের সেবায় নিবেদিত দক্ষ পেশাদার মনোভাবসম্পন্ন জনপ্রশাসন গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।গতকাল সকালে বিসিএস কর্মকর্তাদের ৭৩তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সনদ বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি সাভারে বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রান্তে যুক্ত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন কোর্সে বিশেষ কৃতিত্ব অর্জনকারী তিন কৃতী শিক্ষার্থীর হাতে পদক ও সনদ তুলে দেন। শেখ রায়হান আকবর জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর কাছ থেকে প্রথম স্থান অধিকার করে রেক্টরস পদক গ্রহণ করেন। জোবায়দা ফেরদৌস দ্বিতীয় এবং আবদুল্লাহ আল রাজী তৃতীয় হন। ছয় মাসব্যাপী এবারের কোর্সে মোট ৪৬১ জন অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে ১১৯ জন মহিলা।

অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কে এম আলী আজম বক্তৃতা করেন। বিপিএটিসির রেক্টর রমেন্দ্রনাথ বিশ্বাস স্বাগত বক্তৃতা করেন। সনদপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে দুজন মোহাম্মদ হাসান ও ফারজানা ইয়াসমিন নিজস্ব অনুভূতি ব্যক্ত করে বক্তৃতা করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের কথা আসছে। তখন সম্পূর্ণভাবে আইসিটি ব্যবহারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে যাবে। তার জন্য আমাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত লোকবল সৃষ্টি করতে হবে। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের দেশের মানুষের কল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আজকে যতটুকুই অর্জন এ দেশের কৃষক-শ্রমিক মেহনতি মানুষ তারা রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, ঘাম ঝরিয়েই তো অর্জন করে। সেখান থেকেই তো বেতন-ভাতা আমাদের সবকিছুর সহযোগিতা হয়। কাজেই তাদের ভাগ্য আমরা কেন পরিবর্তন করব না?

বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে প্রশিক্ষণার্থীদের নিজের গ্রামে নিয়ে যাওয়ার পদক্ষেপের প্রশংসা করে শেখ হাসিনা বলেন, নিজের মাটি ও মানুষকে যদি না চিনি বা তাদের সুখ-দুঃখের সাথী হতে না পারি তাহলে তাদের সেবাটা দেব কীভাবে। তিনি বলেন, আপনারাই হবেন কারিগর যারা এ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। ২০৪১ সালে থামলেই চলবে না। আমাদের অনেক কাজ। জাতিসংঘ ঘোষিত সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল (এসডিজি) সেটাও যেমন আমাদের বাস্তবায়ন করতে হবে, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে হবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্যের হার ৪০ ভাগ থেকে ২০ ভাগে নামিয়ে এনেছি। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ দরিদ্র থাকুক তা আমি চাই না। আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে গৃহহীন-ভূমিহীনদের ঘরবাড়ি করে দেওয়ার সুফল এখন দেশের মানুষ পাচ্ছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, আমি চাই তরুণ অফিসাররা তাদের মনন ও বুদ্ধিমত্তা আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করবে।

রমজান-সাভার-ঢাকা-কোরিয়া
শেয়ার করুনঃ

এই বিভাগের আরোও খবর

  • বঙ্গবন্ধু’র অসমাপ্ত আত্মজীবনী ধারাবাহিক পাঠ এবারের পর্বেঃমূল লিখার১৯৫-১৯৬ পৃষ্ঠা।
  • আমিরাতে জ্বালানির মূল্য ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি
    আমিরাতে জ্বালানির মূল্য ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি
  • হ্যালোইন উৎসবে মেতেছে সৌদি আরব
    হ্যালোইন উৎসবে মেতেছে সৌদি আরব
  • ‘২৮ অক্টোবরই হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদের নিয়োগ পরীক্ষা’
    ‘২৮ অক্টোবরই হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদের নিয়োগ পরীক্ষা’